Wednesday, January 20, 2016
যৌন বোধ মানসিক বিষয় /
আমাদের ইন্দ্রিয় লব্ধ অনুভুতি সমূহ স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিস্কে উপনীত হলে তা জ্ঞানে পরিণীত হয় । যৌন ইন্দ্রিয় লব্ধ অনুভুতি সম্পর্কে একই কথা সত্য । তাহা আমাদের স্নায়ু মণ্ডলী র সাহায্যে মস্তিস্কে উপনীত হলে আমরা পুলক অনুভব করিয়া থাকি । মস্তিস্ক আমাদের মনের পীঠস্থান । সম্ভবত মন হল মস্তিস্কের ক্রিয়া । আমাদের যৌন বোধ হল মুলতঃ মানসিক । যৌন অভিজ্ঞতা হল আমাদের আনন্দ অভিজ্ঞতা গুলির মধ্যে তীব্র তম । এর প্রভাব আমাদের মনে সর্বাধিক ও সুস্পষ্ট ।
কামসুত্র ও তার প্রয়োগ ।
কামসুত্র ও তার প্রয়োগ ।
Sunday, January 17, 2016
যৌন বোধ ও তার তৃপ্তি //
এক লিঙ্গের প্রাণী বিপরীত লিঙ্গের প্রাণীর প্রতি যে দৈহিক মানসিক আকর্ষণ বোধ করে তাকে যৌন বোধ বলি ।
যৌন বোধের সার্বজনীন শত্রুতা ইহাকে মানব মন থেকে দূর করতে পারেনি । তবে এর প্রকাশ্য ইহার আলোচনা বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে ।
যৌন বৃত্তি মত একটি ন্যায় এমন একটি তীব্র মানব বৃত্তি সম ন্ধে প্রকাশ্যে আলোচনা না হওয়ার জন্য এর থেকে শিক্ষণীয় বিষয় সমাজে প্রবেশ করতে বাধা প্রাপ্ত হয়েছে । মানুষ অনেক অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে গবেষণা করলেও আমরা এই প্রয়োজনীয় বিষয়ে স্বীয় আদিম ধারনার মন বৃত্তি দাস হয়ে আছি । চাপা দিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছে ।
যদিও লজ্জা , নীতিজ্ঞান , বিকৃত রুচি , নীতি বাগীশ দের চোখ রাঙান , সমাজের দৃষ্টির আড়ালে গড়ে উঠেছিল যৌন শাস্ত্র ।
সমাজের দৃষ্টির আড়ালে গড়ে এই শাস্ত্র সমাজ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধতার ফলে এই শাস্ত্র অনান্য শাস্ত্রের মত স্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হতে পারেনি । কুটিল ও গোপনীয় পথ অবলম্বন করেছিল । সমাজের অন্তরালে গড়ে আর সমাজের বাধা প্রাপ্ত হওয়ার শাস্ত্র টি পুরপুরি বিকশিত হতে পারে নি । ভারতীয় পণ্ডিত গন একে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে দাড় করাবার প্রয়োজনীয়তা সর্ব প্রথম উপলব্ধি করেন । গ্রীক মিশরিয় পণ্ডিত গন যৌন অঙ্গের পরিচয় বা সন্তান জন্মের বিষয় উল্লেখ করেছে ।
খৃস্টীয় দ্বিতিয় শতাব্দী বাৎস্যায়ন নামক এক পণ্ডিত কাম সুত্র নামে একটি সুন্দর পুস্তক লেখেন । এছারা কোঁকা পণ্ডিতের কোক শাস্ত্র বেনু দত্তের রতি রহস্য ইত্যাদি । প্রাক মুসলিম যুগে আর বহু শাস্ত্র রচিত হয়েছিল যা নষ্ট হয়ে গেছে । কিছু অর্থ লোলুপ পুস্তক বিক্রেতা কতগুলি বিকৃত কুরুচি পূর্ণ অশ্লীল পুস্তকে বাজার ভরে দিয়েছে ।
ইসলামে বিবাহ ,স্বামী স্ত্রী সমন্ধ তালাক স্ত্রীর সংখ্যা স্ত্রীর প্রতি ব্যবহার সমস্ত নির্দেশিত তাই এখানে মুসলমানদের এখানে করনীয় কিছু নেই । কাজেই তারা কোর আন এর মূলনীতির ভিত্তিতে মুসলমান পণ্ডিত গন যৌন শাস্ত্রের ব্যাখ্যা করেছেন ।
নারী পুরুষ পরস্পরের সাথে ঘনিষ্ঠ ভাবে দৈহিক ও মানসিক মিলনের যে বাসনা অনুভব করে তাহার নাম যৌন বোধ । শৈশবে এই বোধ নিদ্রিত থাকে বয়োবৃদ্ধি সাথে এই বোধ জাগ্রত হয় যৌবনে তীব্রতা পায় । বার্ধক্যে হ্রাস পায় ।
প্রাণী জগতে যৌন বোধ একটি সহজাত বৃত্তি ।স্বাভাবিক প্রবৃত্তি বলতে আমরা বুঝি যে স্বাভাবিক প্রবণতার বশবর্তী হয়ে প্রানিরা কোন এক সু চিন্তিত প্রণালীতে বংশ পরম্পরায় কোন কাজ সমাধা করতে উদ্বুদ্ধ তাকে মোটামুটি সহজাত বৃত্তি বলে ।
মানুষের মধ্যে যৌন বোধ নামক বৃত্তিটি ক্ষুৎ পিপাসার মত ই শক্তি শালি । কর্ষণ ওঅভ্যাসের দ্বারা একে নিয়ন্ত্রন করা হলেও সবটা নয় । ক্রোধ ,লোভ ,মোহ ,এর কাম একটি বৃত্তি । যৌন বোধ দেহের উপর ক্রিয়াশিল । মানুষের দেহে স্বায়ু প্রধান স্থান গুলি যৌন অনুভুতি প্রবল ।
মানুষের যৌন বাসনা জাগলে তার যৌন প্রদেশ সমূহে তার অনুভুতি প্রকাশ পায় । ঐ ঘর্ষণ দ্বারা ও যৌন অনুভুতি সৃষ্টি হয় ।
নিদ্রিত কামভাব কে জাগিয়ে তোলার জন্য যৌন প্রদেশ ব্যবহার শুধু হয় স্বামী স্ত্রীর মিলন কে সুখি সুন্দর করার পরস্পরের প্রতি অধিকতর আকর্ষণ আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্যে সমস্ত যৌন প্রদেশে সুর সুরি, চুম্বন , মর্দন ,অথবা চোষণ , লেহন প্রভৃতি কাজ চিরকাল স্বীকৃত হয়ে আসছে । হস্ত মৈথুন উরু মৈথুন প্রভৃতি যৌন প্রদেশের অনুভূতিশীলতার জন্যই করে ।
Thursday, January 14, 2016
কাম সুত্র
যৌন প্রদেশের অনুভুতি মানুষ তার ইন্দ্রিয় সমূহের ভিতর দিয়ে অনুভব করে । উদাহরণ স্বরুপ বলা যায় যে পুরুষ তার চক্ষু দ্বারা কোন সুন্দরি রমণীর সুগঠিত দেহ দর্শন করিলে বা হস্ত দ্বারা স্পর্শ তার দ্বারা তার যৌন প্রদেশে অনুভুতি হয় ।
চক্ষু দিয়া দর্শন , কর্ণ দিয়া শ্রবণ , জিহ্বা দিয়ে চোষণ , লেহন ও চুম্বন ,নাসিকা দিয়ে ঘ্রান আর ত্বক দিয়ে স্পর্শ । আদিম কাল নারী সৌন্দর্য বিচার হত তাদের যৌন প্রদেশের সৌন্দর্য দিয়ে । সেই জন্য নারীরা তাদের যৌন প্রদেশ পরস্পরের কাছে আকর্ষণীয় ও লোভনীয় করে কৃত্রিম পদ্ধতি ব্যবহার করত ।
Subscribe to:
Comments (Atom)