Sunday, November 22, 2015

দলগত বিবাহ

আদিম যুগে মানুষ বন্য পশু ও শত্রু দের হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্যে দলগত ভাবে বাস করত। এই সমস্ত এই সকল সমাজে খাটি সাম্যবাদ ছিল । সমস্ত বস্তু তে দলের সকলের সমান অধিকার ছিল । কারো নিজস্ব বলে কিছু ছিল না  । ব্যবহার্য ভোগ্য বস্তুর মত যৌন ক্ষুধা তৃপ্তি র জন্য নারি পুরুষের কারো স্বতন্ত্র  ছিলনা । সকল পুরুষ সকল নারী এবং সকল নারী সকল পুরুষের ভোগ্য ছিল ।

মিলনের দৈহিক প্রতিক্রিয়া

সুড়সুড়ি ,মর্দন , চুম্বন ,দংশন লেহন ও আলিঙ্গন ইন্দ্রিয় গুলির যৌন ক্রিয়ার প্রত্যক্ষ অংশ । হ্যভ্লক এলিস প্রভৃতি যৌন বিজ্ঞানীরা মনে ও তাদের অভিমত যৌন প্রবৃত্তি বৃদ্ধি করার জন্যে এই কাজ গুলি অবশ্য ক্রা উচিত ।
যৌন বোধ পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে কি ভাবে জাগ্রত ও বৃদ্ধি হয় তা আগে আলোচনা করেছি । প্রতক্ষ্য তৃপ্তি হয় কিন্তু নরনারীর দৈহিক মিলনে । এই মিলনে র সহিত ব্যক্তিগত সুখ ,তৃপ্তি ,পারিবারিক বন্ধন ও প্রীতি , জাতিগত উৎকর্ষ ও বংশ বৃদ্ধি অবিচ্ছেদ ভাবে জড়িত । নরনারীর মিলনে প্রধানত দুই প্রকারের দৈহিক প্রতিক্রিয়া সংঘটিত হয় । ইহার একটি রক্ত সঞ্চালন ঘটিত দুই শ্বাস প্রশ্বাস জনিত । এই সময় বিশেষ করে চরম উত্তেজনা মুহূর্তে শ্বাস প্রশ্বাস অনেক খা নি রুদ্ধ হয়ে যায় । ইহার অবশ্যম্ভাবি ভাবে পুরুষ দেহে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায় ।হৃৎপিণ্ডের গতই দ্রুত হয় ।
নারীর দেহে অনুরপ পরিবর্তন সংঘটিত হতে থাকে । জরায়ুর মুখ খনিক টা উন্মুক্ত হয়ে বস্তি প্রদেশের খানিক টা  দূরে নেমে আসে । যোনি প্রাচীরে বিভিন্ন রস গ্রন্থি হতে ক্রমাগত রস ক্ষরণ হতে থাকে । ভগাঙ্কুর উত্তেজিত ও উথিত হয় । নারী অপেক্ষা পুরুষের মধ্যে এই বিপর্যয় অধিকতর বোঝা যায় । কারন যৌন উত্তেজনা পুরুষের মধ্যে ঝড়ের মত আসে তেমনি ঝড়ের গতিতে তিরোহিত হয় । পুরুষের স্নায়ু মণ্ডলে যৌন উত্তেজনা বিপ্লব সৃষ্টি করে নারীদের তা করে না ।

Saturday, November 21, 2015

যৌন বোধ ও পঞ্চ ইন্দিয়

মানুষ তার যৌন প্রদেশ সমূহের অনুভুতি ইন্দ্রিয় সমূহয়ের ভিতর দিয়ে ক্রে থাকে । উদাহরণ স্বরুপ বলা যেতে পারে যে, পুরুষ চক্ষু দ্বারা কোন সুন্দরী নারীর সুগঠিত দেহ দর্শন করলে বা হস্ত দ্বারা স্পর্শ করলে তার যৌন প্রদেশ সমূহে অনুভুতি লাভ জাগ্রত হয় । মানুষ পঞ্চ ইন্দ্রিয় গুলির সাহায্যে যৌন অনুভুতি লাভ করে থাকে । যথা চক্ষু দিয়ে দর্শন ,কর্ণ দিয়ে শ্রবন নাসিকা দিয়ে ঘ্রান ,ত্বক দিয়ে স্পর্শ , জিহ্ববা দিয়ে চোষণ।
আমরা দর্শনেন্দ্রিয় কথা সব্রগ্রে বলব । যৌন বৃত্তি র দিক দিয়ে চক্ষু সর্ব প্রধান ইন্দ্রিয় ।তবে আমি মন চক্ষু এর অন্তর ভুক্ত করি।  চক্ষু দ্বারা আমাদের যৌন ক্ষুধা জাগ্রত হয় আর তৃপ্ত হয়। মানব দেহে সৌন্দর্য উপলব্ধি র অনেক খানিই যৌন বোধ । পুরুষের কাছে নারী সৌন্দর্য আর নারীর কাছে পুরুষের সৌন্দর্য আকর। আবার পুরুষের কাছে নারী দেহের মধ্যে তার যৌন প্রদেশ সমূহ সৌন্দর্যের চরম নিদর্শন । নারী দের লক্ষ্য থাকে তার যৌন আয়বস্মুহ বিপরীত লিঙ্গের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা ।

Friday, November 20, 2015

যৌন বোধ বা আকর্ষণ বোধ

বিশ্ব বিখ্যাত গ্রীক পণ্ডিত প্লেটো যৌন বোধের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন নারী পুরুষ দেবতাদের অভিশাপে বিচ্ছিন্ন হয়ে আবার পরস্পর নিজেদের মধ্যে মিলিত হবার জন্যে আকর্ষণ বোধ করে আর সেই আকর্ষণ বোধের নামই যৌন বোধ ।
এক লিঙ্গের প্রাণী বিপরীত লিঙ্গের প্রাণীর দিকে যে দৈহিক এবং মানসিক আকর্ষণ বোধ করে  তাই হল যৌন বোধ ।
ভবিষ্যৎ বংশ বিস্তার স্ত্রী পুরুষের মিলন সাপেক্ষ বলিয়া যৌন তীব্রতা ও তাহার তৃপ্তি তে সুখ এত বেশী ।
যৌন বোধ মানব মনের তীব্র তম বৃত্তি র মধ্যে অন্যতম ।
যৌন বোধকে নিয়ে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে আলোচনা করতে মানুষ বরাবর লজ্জা পায় । অহেতুক লজ্জাবোধ করে আসছে ।
ধর্ম সমাজ রাষ্ট্র ও নীতি সবাই একসঙ্গে কোমর বাঁধিয়া যৌন বোধের বিরুদ্ধে ।
যৌন বোধের বিরুদ্ধে এই সার্ব জনীন শত্রুতা ইহাকে মানব মনথেকে দূর করতে না পারলে  প্রকাশ্য আলোচনা বন্দ করতে সক্ষম হয়েছে । যৌন বৃত্তি ন্যায় এমন তীব্র মানব বৃত্তি নিয়ে প্রকাশ্য আলোচনা না হবার কারনে ইহাতে শিক্ষণীয় বিষয় গুলি আমাদের সামনে আসতে বাধা প্রাপ্ত হয়েছে ।
লজ্জা কৃত্রিম ও বিকৃত রুচি জ্ঞান মানুষের প্রয়োজন বোধ তীব্রতা কে চাপিয়া রাখতে পারে নাই । তায় সমাজের দৃষ্টি র আড়ালে গড়ে উঠেছে যৌন শাস্ত্র । ভারতীয় পণ্ডিত দের অবদান অনেক বেশী ।
যৌন বোধ প্রধানতঃ মানসিক বিষয় , ইহা আমাদের ইন্দ্রিয় লব্ধ অনুভুতি সমূহ স্নায়ুর সাহায্যে মস্তিস্কে উপনীত হলে জ্ঞানে পরিণত হয় । আমাদের স্নায়ু মণ্ডলীর  সাহায্যে মস্তিস্কে উপনীত হলে আমরা পুলক অনুভব করি। মস্তিস্ক আমাদের মনের পীঠস্থান । অনেকে বলেন মস্তিস্কের ক্রিয়া ই হল মন ।

Tuesday, November 17, 2015

আদর্শ দাম্পত্য জীবন

বিবাহ দুই নর নারীর মিলন  মিলন দেহে প্রানে মনে আত্মায় ।এই মিলনের মুলে আছে জীবন ধর্মের তাগিদ । মিলনের একটা উদ্দেশ্য দেখি আমরা পশু জীবনে বংশ বিস্তারে । মানুষ ও পশু জগতে অন্তর্গত , সুতরাং বংশ বিস্তারের প্রেরনা তাদের মাঝে ও স্বাভাবিক । পশু জগতের  টার্গেট একটা জাতি রুপে বাঁচাইয়া রাখা । শুধু বাচিয়ে রাখা নয় তার উৎকর্ষ সাধন করা ।
মানুষ তৈরি করে একটা অন্তর্জগৎ ,একটা ভাবনার জগত ,একটা স্বপ্নের জগত। পশু শুধু ইন্দ্রিয় বোধ নিয়ে তৃপ্তি পায় , নাই তার মধ্যে কল্পনা ,নাই কোন রসবোধ ।মন দিয়ে কোন কিছু সে সৃষ্টি করতে পারে না , প্রকৃতি র রুপ রস তাদের কোন সৌন্দর্য এর সংবেদন জায়গায় যায় না । ভালবাসা তাদের আছে , পশু মাতার  সন্তান বাৎসল্য , কোথাও কোথাও দাম্পত্য নিষ্ঠা জনিত ভাল বাসা কোথাও স্বজাত্য বোধ । ইহাই হৃদয়ের উৎকর্ষের ফল । আমাদের মুনি রা বলেন পুরুষের মাঝে আছে চিৎশক্তি র প্রধান্য আর নারীর মাঝে আনন্দ শক্তি ।
পুরুষ নারীর মাঝে খোঁজে রস ,খোঁজে আনন্দ ,খোঁজে মাধুর্য । আর নারী খোঁজে পুরুষের মাঝে পৌরুষের দীপ্তি , একটা মহিমা একটি ঐশ্বর্য । পরস্পরে আধ্যাত্ম স্বভাবের প্রতি এই যে গভীর আকুতি এর নাম প্রেম । ইহার নাম প্রেম । নরনারী র আদর্শ মিলনের মুলে এই প্রেমের প্রেরনা ।
প্রেম পরস্পরের কাছে দাবি করে দুইটি জিনিস নিজেকে জান এবং অপর কে বোঝ । নিজেদের জানা ও বোঝা হল যথার্থ মিলনের মুলসুত্র । পুরুষ একা পূর্ণ নয় ,নারীও নয় । নারী পুরুষ অখণ্ড সত্তা ।
প্রকৃত ভাবে দেখতে পায় পুরুষের মাঝে বুদ্ধির উৎকর্ষতা কিন্ত হৃদয়ের নয় ,নারীর মাঝে হৃদয়ের উৎকর্ষতা কিন্ত বুদ্ধির নয় ।